Categories
Uncategorized

প্রাথমিক আরবী গ্রামার-১০

প্রাথমিক আরবী গ্রামার পর্ব-১০

জমির (সর্বনাম)ঃ ইসিম এর পরিবর্তে যে পদ ব্যবহার হয় তাকেই জমির বলে।
জমির তিন প্রকার।

১) মারফু ২) মানছুব ৩) মাজরুর।

১) মারফু (কর্তৃবাচ্য) কর্তার পরিবর্তে যেখানে বসে সেটা মারফু।  পেশ থাকলে হয়। মারফুকে দূই ভাগে ভাগ করা যায়। ক) মুনতাছিল ( যুক্ত থাকলে) খ) মুনফাছিল। (আলাদা বা পৃথক থাকলে)
২) মানছুব (কর্মবাচ্য) কর্মের স্থানে যেটি বসে সেটি মানছুব  জমির। মানছুবকেও দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
ক) মুত্তাছিল ( কর্মের সাথে যুক্ত থাকলে) খ) মুন্তাছিল  ( কর্মের সাথে আলাদা থাকলে)
৩) মাজরুর (সম্বন্ধবাচক সর্বনাম) সম্বন্ধ সূচক সর্বনাম। এটি সর্বদা যুক্ত থাকবে।

সুতরাং জমির পাঁচ প্রকার।  যথাঃ
১) জমিরে  মারফু মুনতাছিল।
২) জমিরে মারফু মুনফাছিল।
৩) জমিরে মানছুব মুনতাছিল।
৪) জমিরে মানছুব মুনফাছিল।
৫) জমিরে মাজরুর মুনতাছিল।

আরবীতে মোট ৭০ টি জমির আছে।  এই ৭০টি জমিরকে পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়েছে। পাচ চৌদদ সততুর।

জমিরে মারফু মুনতাছিল ১৪টি।
মূল শব্দ نصر (নাছার) সাহায্য করা।

১) নাছারা  نصر (নাছারা),=সে সাহায্য করেছিল। পুং
২) نصا — ا (নাছারা)=তারা ২জন সাহায্য করেছিল।পুং
৩)نصروا—وا (নাছারু) তাহারা সকলে সাহায্য করেছিল।পুং

৪) نصرت —- ت নাছারাত- সে স্ত্রী সাহায্য করেছিল।
৫) نصرتا — تا নাছারনা- তারা ২ জন স্ত্রী সাহায্য করেছিল।
৬) نصرن — ن নাছারনা – তারা সকল স্রী সাহাযয করেছিল।

৭) نصرت  — ت নাছারাত – তুমি পুং সাহায্য করেছিলে।
৮) نصزتما   — تما নাছারানমা- তোমরা ২ জন পুং সাহায্য
৯)  نصزتم  —  نم নাছারতুম – তোমরা সকল পুং সাহায্য —
১০) نصرت  — ت নাছারতে তুমি একজন  স্ত্রী  সাহায্য
১১) نصرتما   — تما নাছারতুমা তোমরা স্ত্রী ২ জন সাহায্য
১২) نصزتن  — تن নাছারতুন তোমরা সকল স্ত্রী সাহায্য

১৩) نصرت   —- ت নাছারতু আমি সাহায্য করেছিলাম
১৪) نصرنا   — نا নাছারনা আমরা সাহায্য করেছিলাম।

এবার জানব জমিরে মারফু মুনফাছিল ১৪ টি। যা শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে বসে না। পৃথকভাবে বসে।

১। হুয়া (هو) সে (পুরুষ)
২। হুমা (هما) তারা  (২জন পুরুষ)
৩। (হুম) هم তারা (সকল পুরুষ)

৪। (হিয়া) هي সে (স্ত্রী)
৫।  هما (হমা) তারা স্রী
৬।   هن (হুন্না)  সকল স্ত্রী

৭। (আনতা) انت তুমি একজন পুরুষ
৮।  (আনতামা) انتما তোমরা ২ জন পুরুষ
৯। (আনতুম) انتم তোমরা সকল পুরুষ

১০। আতি — তোমরা স্ত্রী
১১।   انتما (আনতুমা) তোমরা ২জন স্ত্রী
১২।   انتن (আনতান) তোমরা সকল স্ত্রী

১৩।  (আনা)  انا আমি
১৪।  (নাহনু)  نحن আমরা

উদাহরন هو طالب (হুয়া তালিবু) হুয়া মুকতাদা তালিবু খবর।   সে একজন ছাত্র। দুটি মিলে যুমলায়ে ইসেম।
এটি যদি হিয়া তালেবুন হলে হবে সে একজন ছাত্রী।

এবার তারকিব করি نصرت নাছারতু এর।
নাছার نص হল ফেল বা ক্রিয়া = সাহায্য করা।
তু ت হবে ফায়েল বা কর্তা। = আমি করেছিলাম। দুইটা মিলে যুমলায় ফেলিয়া।
তাহলে نصرت নাছারতু  অর্থ হবে = আমি সাহায্য করেছিলাম।
**************

প্রাথমিক আরবী গ্রামার পর্ব-১১

মাফুউল (কর্ম/Object) -معفول–  Plural   المعاقععيل
বাক্যে অবস্থিত কর্মকেই মাফুউল বলে।  অর্থাত কর্তার কাজ যার উপর সংগঠিত হবে তাকে معفول বলে।
Sentsnce = Subject + Verb  + Object + Extention
Verb + Subject + Object ( قع + فاعل  + مفعل )
Fel +fayel+maful

(Akala Jayed Rujja  ) اكل زير  رزا
اكل   +  زيد   +   رزا
فعل   + فاعل  + مفعل
মাফুউলের শেষ অক্ষরে যবর থাকবে আর যদি দুই যবর হয় তখন শেষে একটি অতিরিক্ত আলিফ বসাতে হয়।

মাফুউল কত প্রকার ও কি কি?
মাফউল বা কর্ম ৫ প্রকার।

১) মাফুউল মুতলাক (مفعول مطلق)
২) মাফুউল বিহী  (مقعول به)
৩) মাফউল ফাহি  (مفعول فيه)
৪) মাফউল লিহি  (مقعول له)
৫) মাফউল মা’আ  (مفعول معه)

Categories
Uncategorized

শব্দের রুপান্তরঃ

রব ( رب ) শব্দ থেকে

রব্বুকা (ربك ) — তোমার রব। পেশ দিয়ে।
রব্বাকা (زبك ) – – তোমার রবকে। যবর দিয়ে
রব্বিকা (ربك ) – – তোমার রবের।যের দিয়ে।

রাব্বুকা ربك এর তারকিব

মুল শব্দ رب রব, ك – তোমার। ربك — তোমার রব।

১। ক্বলা রব্বুকা (قال زبك) = তোমার রব বলেছিল। কালা ফেল এবং মুদাছ আর মুদাস ইলাই মিলে রব্বুকা ফায়েল হয়েছে। যুমলায় ফেলিয়া। এ জন্য পেশ হয়েছে।
২। ক্বলা মুহাম্মাদু রব্বাকা (قال محمد زبك) = মুহাম্মদ তোমার রবকে বলেছিল। মাফউল হওয়ার কারনে যবর হয়েছে।
৩। মারারতু বিরব্বিকা ( مررت بربك ) = আমি তোমার রবের পাশ দিয়ে অতিক্রম করেছিলাম। হরফে যের এর জন্য যের। হয়েছে।

Categories
Uncategorized

অনুবাদ মায়েদা-০৬

সূরা মায়েদা আয়াত নং ৬ এর অনুবাদ।

یٰۤاَیُّهَا الَّذِیْنَ اٰمَنُوْۤا اِذَا قُمْتُمْ اِلَى الصَّلٰوةِ فَاغْسِلُوْا وُجُوْهَكُمْ وَ اَیْدِیَكُمْ اِلَى الْمَرَافِقِ وَ امْسَحُوْا بِرُءُوْسِكُمْ وَ اَرْجُلَكُمْ اِلَى الْكَعْبَیْنِ١ؕ وَ اِنْ كُنْتُمْ جُنُبًا فَاطَّهَّرُوْا١ؕ وَ اِنْ كُنْتُمْ مَّرْضٰۤى اَوْ عَلٰى سَفَرٍ اَوْ جَآءَ اَحَدٌ مِّنْكُمْ مِّنَ الْغَآئِطِ اَوْ لٰمَسْتُمُ النِّسَآءَ فَلَمْ تَجِدُوْا مَآءً فَتَیَمَّمُوْا صَعِیْدًا طَیِّبًا فَامْسَحُوْا بِوُجُوْهِكُمْ وَ اَیْدِیْكُمْ مِّنْهُ١ؕ مَا یُرِیْدُ اللّٰهُ لِیَجْعَلَ عَلَیْكُمْ مِّنْ حَرَجٍ وَّ لٰكِنْ یُّرِیْدُ لِیُطَهِّرَكُمْ وَ لِیُتِمَّ نِعْمَتَهٗ عَلَیْكُمْ لَعَلَّكُمْ تَشْكُرُوْنَ

শব্দার্থ: يَاأَيُّهَا = হে, الَّذِينَ = যারা, آمَنُوا = ঈমান এনেছো, إِذَا = যখন , قُمْتُمْ = দাঁড়াবে তোমরা , إِلَى = জন্যে , الصَّلَاةِ = সালাতের , فَاغْسِلُوا = তখন তোমরা ধুবে, وُجُوهَكُمْ = মুখমণ্ডলগুলো তোমাদের , وَأَيْدِيَكُمْ = ওহাত গুলো তোমাদের , إِلَى = পর্যন্ত, الْمَرَافِقِ = কনুইগুলো, وَامْسَحُوا = ও তোমরা মাসেহ করবে, بِرُءُوسِكُمْ = মাথাগুলো তোমাদের , وَأَرْجُلَكُمْ = ওপাগুলো তোমাদের , إِلَى = পর্যন্ত, الْكَعْبَيْنِ = দুইগিঁট, وَإِنْ = এবং যদি, كُنْتُمْ = হও তোমরা , جُنُبًا = অ পবিত্র , فَاطَّهَّرُوا = তবে তোমরা পবিত্র হবে , وَإِنْ = এবং যদি, كُنْتُمْ = হও তোমরা , مَرْضَىٰ = অসুস্থ, أَوْ = বা, عَلَىٰ = উপর , سَفَرٍ = সফরে (থাকো) , أَوْ = বা, جَاءَ = আসে, أَحَدٌ = কেউ, مِنْكُمْ = মধ্যে তোমাদের , مِنَ = হতে, الْغَائِطِ = পায়খানা (মলমূত্রত্যাগকরে) , أَوْ = বা, لَامَسْتُمُ = স্পর্শ করো তোমরা (সহবাসকরো) , النِّسَاءَ = স্ত্রীদের, فَلَمْ = অত:পরনা, تَجِدُوا = তোমরা পাও, مَاءً = পানি , فَتَيَمَّمُوا = তবে তোমরা তায়াম্মুম করবে, صَعِيدًا = (দিয়ে) মাটি, طَيِّبًا = পবিত্র , فَامْسَحُوا = তাই তোমরা মাসেহ করবে, بِوُجُوهِكُمْ = মুখমণ্ডলকে তোমাদের , وَأَيْدِيكُمْ = ওহাতকে তোমাদের , مِنْهُ = দ্বারাতা, مَا = না, يُرِيدُ = চান, اللَّهُ = আল্লাহ, لِيَجْعَلَ = যেন তিনি দেন, عَلَيْكُمْ = উপর তোমাদের , مِنْ = কোনো, حَرَجٍ = কষ্ট, وَلَٰكِنْ = কিন্তু, يُرِيدُ = তিনি চান, لِيُطَهِّرَكُمْ = যেন তিনি পবিত্র করেন তোমাদের কে, وَلِيُتِمَّ = এবং পূর্ণ করেন , نِعْمَتَهُ = অনুগ্রহতাঁর, عَلَيْكُمْ = উপর তোমাদের , لَعَلَّكُمْ = যাতে তোমরা , تَشْكُرُونَ = কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করো,

অনুবাদ: হে ঈমানদারগণ! যখন তোমরা নামাযের জন্য তৈরী হও, তখন তোমাদের মুখমণ্ডল ও হাত দু’টি কনুই পর্যন্ত ধুয়ে ফেলো, মাথার ওপর হাত বুলাও এবং পা দু’টি গোড়ালী পর্যন্ত ধুয়ে ফেলো। যদি তোমরা ‘জানাবাত’ অবস্থায় থাকো, তাহলে গোসল করে পাক সাফ হয়ে যাও। যদি তোমরা রোগগ্রস্ত হও বা সফরে থাকো অথবা তোমাদের মধ্যে কোন ব্যক্তি মলমূত্র ত্যাগ করে আসে বা তোমরা নারীদেরকে স্পর্শ করে থাকো এবং পানি না পাও, তাহলে পাক-পবিত্র মাটি দিয়ে কাজ সেরে নাও। তার ওপর হাত রেখে নিজের চেহারা ও হাতের ওপর মসেহ করে নাও। আল্লাহ তোমাদের জন্য জীবনকে সংকীর্ণ করে দিতে চান না কিন্তু তিনি চান তোমাদেরকে পাক-পবিত্র করতে এবং তাঁর নিয়ামত তোমাদের ওপর সম্পূর্ণ করে দিতে, হয়তো তোমরা শোকর গুজার হবে।

Categories
Uncategorized

হাদীসের জনক উমাইয়া বংশঃ

উমাইয়াহ বংশ বাস্তবতায় ছিলো রাসুল সাঃএর বংশের জাত শত্রু।প্রকৃত পক্ষে রাসুল সাঃ এর সময় থেকে তাদের শত্রুতা শুরু হয়নি বরং শত্রুতার শুরু আরো কয়েক জেনারেশন পুর্ব থেকে হয়েছিলো।যদিও হাশিমী বংশ এবং উমাইয়াহ বংশ উভয়ই কুরাইশ বংশ উদ্ভুত।

আদম সন্তান হাবিল-কাবিলের মত এই দুইটি বংশের হাশিম বংশ ছিল সৎ পথের অনুসারী এবং উমাইয়াহ বংশ ছিল অন্যায় অত্যাচারী অসৎ পথের অনুসারী।
ফলশ্রুতিতে আল্লাহ সুবহানাল্লাহু তা’য়ালা পবিত্র ক্বাবা শরীফের তথ্যাবধানসহ মক্কার বিভিন্ন গোত্রের নেতুত্বের দায়িত্য বরাবরই হাশেমী বংশের উপর দিয়েছিলেন।

হাশেমী ও উমাইয়া বংশ একই কুরাইশ বংশ সম্ভুত হওয়া স্বত্ত্বেও ক্বাবা শরীফের তত্বাবধন সহ সকল পর্যায়ে হাশেমী বংশের নেতৃত্ব বা কর্তৃত্ব কোন প্রকারেই উমাইয়াগন মেনে নিতে পারছিল না।

অর্থাৎ রাসুলুল্লাহ সাঃ এর জন্মের অনেক আগে থেকেই এই দুইটি বংশের মধ্যে আধিপাত্যের লড়াই চলে আসছিল।

রাসুলুল্লাহ সাঃ পৃথিবীতে আগমনেরর অব্যাহতি পুর্বেও ক্বাবা শরীফের তত্বাবধানে দায়িত্বে ছিলেন রাসুল সাঃ এর দাদা আব্দুল মুত্তালেব এবং পর্বর্তীতে আব্দুল মুত্তালেব ছেলে অর্থাৎ রাসুল সাঃ এর আপন চাচা আবু তালেব সে দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন।

যোগ্যতার বিচারে আধিপাত্য ও নেতৃত্বের লড়াই একই কুরাইশ বংশ উদ্ভুদ্ধ হওয়া স্বত্ত্বেও তারা একে অপরের প্রতি শত্রুতা বংশপরম্পরা চলে আসছিল।
এই শক্রুতার সুত্র ধরেই পরবর্তীতে আব্দুল মুত্তালেবের ঔরশজাত সন্তান আব্দুল্লাহর স্ত্রী আমেনার গর্ভে মোহাম্মদ সাঃ এর মত এমন নির্মল চরিত্রের অধিকারী একজনকে উমাইয়াহ বংশের নেতৃস্হানীয় কেহই মেনে নিতেপারেনি।

সেজন্যই চল্লিশ বছর বয়সে মোহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ অফিসিয়ালি বা আনুষ্ঠানিক ভাবে আল্লাহর একত্বতা ঘোষনার মাধ্যমে তাঁর নবুয়তের সংবাদ প্রচার করলে উমাইয়াদের অস্বীকৃতির মাধ্যমে তাদের শত্রুতার কৌশলের গতি আরো বৃদ্ধি পায়।

এই উমাইয়াহ বংশের শত্রুতা,যুলুম,অত্যাচার এবং ইসলাম প্রচারে বাধা বিঘ্নতার কারনেই রাসুল সাঃ কে মক্কা থেকে মদীনায় হিজরত করতে হয়েছিল।

রাসুল সাঃ মদীনায় ইসলাম প্রচারকালেও তিনি নির্বিগ্নে ইসলাম প্রচারে নিরলস ভাবে মনোযোগী হতে পারেন নাই।

সুদীর্ঘ সাড়ে চৌদ্দশত বছর পুর্বে প্রায় পাঁচ শতাধিক কিলোমিটার দুরত্বেও রাসুল সাঃ কে উমাইয়াহ বংশের সদস্যগন ইসলাম প্রচারে বাধা প্রদানে বদর,ওহুদ,খন্দকের যুদ্ধে অংশ গ্রহন করে তাদের প্রতিহত করতে হয়েছে।

উমাইয়াহ বংশ ইসলাম গ্রহন না করে শত প্রচেষ্টা এবং নানা প্রকার ষড়যন্ত্র এবং যুদ্ধ বিগ্রহে ফলপ্রসু কোন রেজাল্ট না পেয়ে তারা প্রায় হতাশা গ্রস্থ হয়ে পড়েছিল।এমতাবস্থায় রাসুলুল্লাহ সাঃ  মক্কা বিজয়ের পর সাধারন ক্ষমা ঘোষনা করলে উমাইয়াহ গোত্রের নেতা আবু সুফিয়ান এবং তার পুত্র মোয়াবিয়াহসহ তার গোত্রের লোকেরা রাসুলের হাতে বায়াত গ্রহন করে।

যুলুম,অত্যাচার,ষড়যন্ত্র এবং যুদ্ধ বিগ্রহের মাধ্যমে রাসুল সাঃ এর বিরুদ্ধে যে সফলতা তারা পায় নাই মুনাফেকি ভাবে ইসলাম গ্রহন করে শত বছর ব্যাপি ক্ষমতা অবস্থানের মাধ্যমে ইসলামের মুখে যে কালিমা ওরা লেপন করে গেছে ইসলামের সেই কালো অন্ধকার ইতিহাস থেকে আজও আমরা বাহির হয়ে আসতে পারিনি।
ইসলামিক খেলাফতের উমাইয়াহ বংশের পারিবারিক রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পর হতেই ইসলামকে ধ্বংশ করার জন্য উমাইয়াহ শাসক গৌষ্ঠি ইসলামের ঐতিহ্যকে ধ্বংশ করার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহন করেছিলো, তারমধ্যে প্রধান পদক্ষেপ ছিলো রাসুল/নবী মোহাম্মদের নামে হাদিস রচনা করে খেলাফতের অধিনস্থ মসজিদ গুলিতে সেসব প্রচার করা এবং সেগুলি সংরক্ষনের ব্যবস্থা করা এবং তাঁরই ফলশ্রুতিতে রাসুলের নামে, কুরআনের ব্যাখ্যা নামে খ্যাত অসংখ্য হাদিস গ্রন্থে লক্ষ লক্ষ কুরআন বিরোধী মিথ্যা হাদিসের প্রচার ও প্রসার।

প্রচললিত তাবলীগ এই উমাইয়া বংশের উত্তর সূরী হিসাবে আজো আমাদের মাঝে লেংটি গুজে কাজ করে যাচ্ছে।

Categories
Uncategorized

মুল ধারায় খুৎবা

দাড়ি,টুপি,জোব্বা ইসলামের মান্দন্ড নয় এ সৈনিকের জ্বালাময় খুৎবা তার প্রমাণ করে দেয়। এটাই আরাফার খুৎবা.৷

Categories
Uncategorized

শিরকঃ

আরবের কাফেররা তাওরাত-ইঞ্জিল বিশ্বাস করত আল্লাহর ওহীর উপর ঈমান রাখত কিন্তু তার সাথে তারা শিরক করত। আল্লাহ বলেন :

তাদের বেশীর ভাগই আল্লাহর ওপর বিশ্বাস স্থাপন করে, কিন্তু তারা শিরক করে। (সুরা : ইউসুফ, আয়াত :১০৬)

আর আপনি যদি তাদেরকে জিজ্ঞেস করেন, ‘কে আসমানসমূহ ও যমীন সৃষ্টি করেছে?’ তারা অবশ্যই বলবে, ‘এগুলো তো সৃষ্টি করেছেন পরাক্রমশালী সর্বজ্ঞই ’(সুরা যুখরুফ আয়াত-৯)

কেনো ও কিভাবে শিরক করত ?
আল্লাহ যে বিধি-বিধান ওহীর মাধ্যমে দিয়েছে, তার সাথে তাদের মনগড়া কিছু রীতি রেওয়াজ বিধান হিসেবে মানতো এই জন্য তাদের দোয়া, তাবিজ, ফাজায়েলে আমল ইত্যাদির মাধ্যমে আল্লাহকে যেন সন্তুষ্ট করতে পারে।

আল্লাহ বলেন: জেনে রাখুন, অবিমিশ্র আনুগত্য আল্লাহরই প্রাপ্য। আর যারা আল্লাহর পরিবর্তে অন্যদেরকে অভিভাবকরূপে গ্রহণ করে তারা বলে, ‘আমরা তো এদের ইবাদত এ জন্যে করি যে, এরা আমাদেরকে পরিপূর্ণভাবে আল্লাহর সান্নিধ্যে এনে দেবে।(সুরা যুমার আয়াত-৩)

Categories
Uncategorized

ধর্ম ও রাজনীতি রাষ্ট্রের সৃষ্টিঃ

ধর্ম এবং রাজনীতি হলো কোন রাষ্ট্রের প্রধান দু’টি দর্শনগত অবকাঠামো, যার উপর নির্ভর করে কল্যাণ রাষ্ট্র এবং ব্যর্থ রাষ্ট্রর ভিত্তি তৈরী হয়।

ধর্মের দুইটি রুপ রয়েছে। এক ঐশীতন্ত্র দুই মোল্লাতন্ত্র। ঐশীতন্ত্রের মুল লক্ষ্য হলো ঐশী ইচ্ছা, অর্থাৎ ধর্মের এই ধরণে মানুষ চালিত হয় স্রষ্টার ইচ্ছার কাছে নিজের ইচ্ছা আত্মসমর্পণ করার মধ্য দিয়ে।

অন্যদিকে, মোল্লাতন্ত্রের মুল লক্ষ্য হলো কতিপয় মোল্লা পুরোহিত পাদ্রীর ইচ্ছা। এখানে মোল্লারা যে কোন ধর্মের অনুসারীদের ইচ্ছা, স্বপ্ন, কল্পনা, আশা, ভয়, হতাশা, যৌনতা এমন কি মানবীয় প্রায় সকল অনুভূতি গুলোকে একটা নির্দিষ্ট ছকে এঁকে দেয়। এই ছকটা আঁকে মূলত তাদের স্বার্থ রক্ষার তাগিদে। স্বার্থের উপর নির্ভর করে ধর্মের কিতাব গুলোকে তারা নিজেদের মতো ব্যাখ্যা করে। আর এই ব্যাখ্যাকে পাক কিতাব বলে সাধারণ ধর্মাবলম্বীদের উপর চাপিয়ে দেয়। সেটা কি হিন্দু,কি মুসলিম,কি খৃষ্টান কি বৌদ্ধ সব ধর্মের বেলায় একই নীতি অনুসরন করা হয়।

এবার ভাবা যাক রাজনীতির বিষয়ে। রাজনীতির ক্ষেত্রেও দু’টি নীতি অনুসরন করা হয়। এক গনতন্ত্র/খলিফাতন্ত্র দুই স্বৈরতন্ত্র/জাহেলিয়াত।

গনতন্ত্র/খলিফাতন্ত্রের মূল স্পিরিট হলো সকল মানুষই রবের খলিফা বা প্রতিনিধি। (কোরান) তারা নিজেদের স্বাধীন ইচ্ছার মাধ্যমে নিজেদের মধ্য থেকে একজনকে বা একটা দলকে রাষ্ট্রের নেতৃত্ব দেয়ার জন্য নির্বাচিত করে।

আর স্বৈরতন্ত্রের মূল স্পিরিট হলো একজনই কেবল ভ্রহ্মার প্রতিনিধি, বাদবাকি সকল মানুষ তার দাস বা গোলাম। (সনাতন)

এই তন্ত্রে যেহেতু অধিকাংশ মানুষের খলিফাত্বকে অস্বীকার করা হয়, তাই এই তন্ত্রে মানুষের বাক স্বাধীনতা, মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং স্বাধীন ইচ্ছা শক্তিকেও নাকচ করা হয়। দেব কূল আর দাস কূলে বল ভাজন করা হয়। ফলে ঐ একজন শাসক তার ইচ্ছা স্বপ্ন কল্পনা আশা ভয় সবকিছু সাধারণ জনগণের উপর চাপিয়ে দেয়। সে কয়েকটা ছকে মানুষকে বিভাজিত করে মানুষের জীবনকে নিয়ন্ত্রণ করে। এখানে একমাত্র শাসকই স্বাধীন, বাদবাকি সবাই পরাধীন।

স্বৈরতন্ত্রের সাথে মোল্লাতন্ত্রের সারগত জায়গা থেকে সাদৃশ্য আছে বিধায় তারা নিজেদের মধ্যে ধর্ম এবং রাজনীতির মৈত্রী স্থাপন করে মানুষের ইহকাল এবং পরকাল নিয়ন্ত্রণ করে। রাষ্ট্র পরিচালনায় স্বৈরতন্ত্র বাই নেচার মোল্লাতন্ত্রের সাথে আঁতাত করে ঘাকে। একই সাথে মোল্লাতন্ত্র তার ব্যবসা এবং কর্তৃত্ব টিকিয়ে রাখার স্বার্থে বাই নেচার রাষ্ট্র ক্ষমতায় সবসময় স্বৈরতন্ত্রের সহযোগী হয়ে থাকে। মোয়াবিয়া শাশন আমল তার অনন্য দৃষ্টান্ত।

Categories
My text Uncategorized

প্যারালাল অনুষ্ঠানঃ

    —— প্যারালাল অনুষ্ঠানঃ

১) কোরআনের ব্যাখ্যা হাদীস  আর সনাতন ধর্মে ঋগবেদের ব্যাখ্যা মহাভারত।

২) কুমারী কুন্ত মন্ত্র সাধন করলে সূর্য দেবতা তার সামনে উপস্থিত হতে বাধ্য হন এবং দেবতার অদৃশ্য আশির্বাদে কুমারী কুন্ত গর্ভবতি হয়ে পঞ্চপান্ডবের জন্ম দেন। হিন্দু ধর্ম মতে।
অপরদিকে কুমারী মারিয়াম আ: আল্লাহর কুদরতে গর্ভপতি হন এবং ঈসা আ: এর জন্ম দেন। ইসলাম ধর্ম মতে।

৩) জমজমের পানি আল্লাহর কুদরতে ইসমাইল আঃ এর পায়ের গোড়ালীর পবিত্র উৎস হতে নিঃসৃত বলে উহা বরকতময়  ও পুণ্যময়।
সনাতন ধর্মের বিশ্বাস গঙ্গার উৎস ভগবানের নিজ করুনা থেকে বলে গঙ্গা জল পুতঃ পবিত্র।

৪) মৃত্যুর চল্লিশদিনের দিন চল্লিসা অনুঢ্ঠান করা হয় ইসলাম ধর্ম অনুসারীর।
সনাতন ধর্মে আত্মার অবমুক্ত করনে চল্লিশ দিন পর চাদ্ধ করতে হয়।

৫) শ্রীকৃষ্ণের বামপার্শ্ব হতে সৃষ্টি “রাধা” , যার সুন্দর নিতম্ব ও পীন-পায়োধর। [ ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ ]
আদমের বাম পাঁজর থেকে বিবি হাওয়ার সৃষ্টি ইসলাম ধর্মের দাবী।

৬) জন্মাষ্টমি সনাতন ধর্মে শ্রী কৃষ্নের জন্মদিন পালিত করে।  অন্য দিকে ঈদে মিলাদুনবী ইসলাম ধর্মের অনুসারী রা পালন করে।

৪) কাল পাথর একটি জান্নাতী পাথর মুসলমান ধর্মের বিশ্বাস। শিব পাথর একটি স্বর্গীয় পাথর সনাতন ধর্মে বিশ্বাস।

৫)  দেবতার নাম গননার জন্য জপমালার ব্যবহার হিন্দু ধর্ম অনুসারী।  আল্লাহর পবিত্রতা গননার জন্য তাসবির ব্যবহার করে গাট্টি ওয়ালা মুসলিম।

৬) ভগবান বিষ্ণুর শালগ্রাম শিলা বা নারায়ন শিলার উৎপত্তি নোপালের গন্ডকী নদের ইতিহাস থেকে ।
অপর দিকে মিশরের নীল নদের ইতিহাস মুসা: ফেরাঊনের ইতিহাস থেকে।মিসরের নীল নদ প্রতি বছর শুকিয়ে যেত। তখন উমর রাঃ চিঠি লিখে নদীতে ছেড়ে দিলে নদী পানিতে প্লাবিত হয়ে যায়। ( সহী বুখারী)

৭) আল্লার নাম নেয়ার জন্য আল্লার ঘর মসজিদ নির্মান করে ইসলাম ধর্ম অনুসারী ।
সনাতন ধর্মের ভগবানের পুজো দেয়ার জন্য মন্দির নির্মান করে হিন্দু ধর্মের অনুসারী।

৮) আল্লার ঘরে আসার জন্য আযানের মাধ্যমে আহ্বান করা হয়। সনাতন ধর্মে মন্দিরে আসার জন্য শাখ শংখ বাঁজিয়ে ডাকা হয়।

৯)  কোরবানীর পশুর গোশত আল্লাহর জন্য নয় শুধু তার নামে কোরবানীই তার সন্তুষ্টি।
সনাতন ধর্মে ভগবান পশুর রক্ত মাংশ খান না শুধু তার নামে বলি দিলেই খুশি হন।

১০) হজ্জ ব্রত পালন করে কাল পাথর চুমো খেলে পাপ মুক্ত  মুসলমানের বিশ্বাস।
সনাতন ধর্ম মতে গঙ্গা জলে স্নান করলে ধরাধামে পাপ মুক্ত হয় হিন্দু ধর্ম মতে বিশ্বাস।

১১)  কোরবানীর আগের তিনদিন নখ,চুল দুপায়া প্রাণী জবেহ নিষিদ্ধ। সনাতন ধর্মে শ্যাম পুজোর আগের তিনদিন নখ,চুল কাটা নিষিদ্ধ।

১২)  মক্কা মদীনার মাটিতে মৃত্যু হলে জান্নাতী বলে বিশ্বাস ইসলাম ধর্ম মতে। গাট্টি ওয়ালার ঈমান। সনাতন ধর্মে বিশ্বাস বৃন্দাবন-কাশীতে মৃত্যু হলে স্বর্গবাসী।

১৩) হজ্জের পোষাক সাদা ও সেলাই বিহীন আবশ্যক সনাতন ধর্মে গয়াকাশিতে পোষাক গেরুয়া ও সেলাই বিহীন।

১৪) তীর্থে গেলে মাথা কামায়, হজে গেলও মাথা কামায়।
১৫) একাদশি / নিশিযাপন, সিয়াম/রোজা

উপসংহারঃ—
এমন অনেক কপি পেস্ট ধর্মের মোল্লা, পুরোহিত,পাদ্রীর গেরাকলে পাপি মানুষগুলি  নিজেকে মুক্তির আশায় আশ্রয় নেয়। ফলে সূচনা হয় ধর্মের ব্যবসা। তারা রবের আদেশ মেনে চলার জন্য ইবাদত করে না।  এবাদত করে পাপের শাস্তির ভয়ে, নাজাত পাওয়ার আশায় নানা রকম অছিলার আশ্রয় নিয়ে পাপ মুক্ত হওয়ার জন্য। তাই আল্লাহ বলেনঃ
অনুসরণ কর তাহাদের, যাহারা তোমাদের নিকট কোন প্রতিদান চায় না এবং যাহারা সৎপথপ্রাপ্ত।(৩৬ঃ২১)

Categories
Innovator My text Uncategorized

জুম্মার সালাত কি?

প্রচলিত আনুষ্ঠানিক নামাজকে কোরানের আলোকে যখন খুঁজে পাওয়া না যায় তখন সূরা জুমুআর ৯ নং আয়াতটি উপস্থাপন করা হলে  আতকে উঠে!! সত্যিই তো এ আয়াত প্রচলিত আনুষ্ঠানিক সালাতের স্বীকৃতি দেয়।  আলোচনা করা যাক এ নিয়ে। তার আগে জানা দরকার কোরানে সালাত পড়ার কথা বা আদায় করার কথা কোন আয়াতে নেই, আছে সালাত কায়েম করার কথা বা প্রতিষ্ঠিত করার কথা। আরেকটা বিষয় জানা থাকতে হবে সালাত আরবী শব্দের অনুবাদ নামজ নয়। এটি পারস্যদের অনুবাদ। বাংলা অনুবাদ “রবের বিধি নিষেধের অনুশীলন “।

সূরাতুল জুমুআয় মাত্র ১১টি  আয়াত।  ৯ নং আয়াতটি নিয়ে আলোচনার বিষয় এ পোস্টে।

হে মু’মিনগণ! জুম‘আর দিনে যখন সালাতের জন্য আহ্‌বান করা হয় তখন তোমরা আল্লাহ্‌র স্মরণে ধাবিত হও এবং ক্রয় – বিক্রয় ত্যাগ কর, ইহাই তোমাদের জন্য শ্রেয় যদি তোমরা উপলব্ধি কর। (৬২:৯)

দারুল হরবের দেশে কোন জুম্মার সালাত নেই। এটি সার্বজনিন স্বীকূত। তাই দ্বীনি বিশেষজ্ঞগন একমত হয়ে আখেরি জহুর নামে ৪ রাকাত সুন্নত নামাজ যুক্ত করে দিয়েছন, যাতে করে জুমআ আদায় না হলেও যেন জহুরের সালাত আদায় হয়ে যায়। গাফেলদের অন্তর্ভুক্ত না হয়। এটি ইস্তেহাদের মাধ্যমে সংযোজন করা হলেও সর্ব মতে গৃহীত বলে সুন্নত নামে চালিয়ে দেয়া হয়েছে। প্রতিদিন দুপুরে নামাজ ফরজ ৪ রাকাত হলেও  জুম্মার দিনের দূপুরের নামাজ সংক্ষিপ্ত করে ২ রাকাত ফরজ কারা হয়েছে এজন্য় যে রাষ্ট্রীয় ভাষন অর্থাৎ খুৎবা শুনার জন্য ২ রাকাতের ফরজ আদায় হয়ে থাকে।  এ জন্য খুৎবায় আরবীতে বলা হয়, ” আল সুলতানু জিল্যুলাল্লাহয় ওয়াল আরদ….”.  যার অনুবাদ: বাদশাহ বা রাষ্ট্র প্রধান আল্লাহর ছায়া স্বরুপ,  সুতারং ইচ্ছা অনিচ্ছায় তাহার আদেশ মান্য কর। “

যদিও রাসুল সাঃ বা  তাঁর পরবর্তি  ৪ খলিফার সময় এমন খুৎবা বলা হয়নি, মোয়াবিয়ার শাশ্বন আমলে এ খুৎবার প্রচলন শুরু করেন মুয়াবিয়ার রাষ্ট্রীয় নিয়োগ প্রাপ্ত আলেম গন।  যার ধারা বাহিকতা আজো চলমান। আমরা এখনো মুয়াবিয়ার প্রতিষ্ঠিত  ইসলামিক কালচারের ছায়া তলে আছি। রাসুল সাঃ যুগে নির্দিষ্ট করে শুক্রবারে জুম্মা হত না, যখন জরুরী প্রয়োজন দেখা দিত সেদিনই জুম্মার আহ্বান করতেন। এমন দেখা গেছে জুম্মার আহ্বান করে আবহাওয়ার বৈরিতার জন্য রাসুল সাঃ সেদিনে জুম্মা বাতিল করে দিয়েছেন পুনরায় ঘোষণা দিয়ে।

তার মানে কোন ইসলামী রাষ্ট্রের রাষ্ট্র প্রধান বা তার নিয়োগ প্রাপ্ত নায়েব যখন রাষ্ট্রের জরুরী প্রয়োজনে বা মুমিনের কল্যানে কোন বিষেশ জরুরী আলোচনা শুনার জন্য আহ্বান করা হয় (৬২:৯) এ বর্ণিত আল্লাহর ভাষায় তাকে জুম্মার সালাত বা ইমামের আহ্বানে মুমিনের গণ জামাতে আল্লাহর বিধি নিশেধের সংযোগ, অনুশীলনকেই জুম্মার সালত বলেছেন আল্লাহ উক্ত আয়াতে। ইমামের এমন আহবান পাওয়া মাত্র যে যে কাজে রত থাক তা বন্ধ করে ছুটে যাওয়া ফরজ।  আয়াতের শেষে তাই আল্লাহ আরো ব্যাখ্যা সহ সতর্ক করে বলেনঃ ” ইহাই তোমাদের জন্য শ্রেয় যদি তোমরা উপলব্ধি কর।”

এ জন্য মেয়েদের জন্য এ সালাত ফরজ নয়। কারন রাষ্ট্রীয় কল্যান, যুদ্ধ দামার আয়োজন নির্দেশনায় নারী ভুমিকা অপরিহার্য আল্লাহ করেন নাই।

বর্তমান বৃটিশ প্রচলিত রাষ্ট্রের  সাংসদীয় অধিবেশন এই আয়াতের আলোকেই রচিত। যদি এটি কোন ইসলামিক রাষ্ট্র এবং মুমিনদের নিয়ে সাংসদ গঠিত হতো তবে ১০০% ইসলামিক রাষ্ট্রের কার্যক্রম হতো। সংসদের প্রতিটি সদস্য রাষ্ট্র প্রধানের নিয়োগ প্রাপ্ত নায়েব বা ইমামা হয়ে সমাজে জুম্মা কায়েম করতো। বৃটিশ প্রথাটি ঠিকই কোরানের আয়াতের থিমে তৈরী করে দিয়ে গেছে কিন্ত তাদের আদর্শ ঢুকিয়ে রেখে দিয়েছে।

বর্তমান প্রচলিত জুমআ ৬২:৯ এর আলোকে আল্লাহর মনোনীত জুম্মা নয়। এটি মোয়াবিয়ার রচিত জুম্মার সালাতের অনুষ্ঠান মাত্র।  ধর্মজীবিরা এটাকে পুঁজি করে তাদের কর্ম সংস্থানের সুযোগ করে নিয়েছেন। সেজন্য তারা মোয়াবিয়ার নিকট কৃতজ্ঞ এবং তার গুনগানে পঞ্চমুখ।

আমজনতা কোরান নিজ ভাষায় পড়েও না তাই সত্যটা উপলব্ধি করতেও সক্ষম নয়। ধর্ম জীবিদের দেখানো পদ্ধতিতেই আমিন আমিন করে গরীবের হজ্জ আদায় করে মহা তৃপ্তির ঢেঁকুর তুলে সবহানাল্লা তসবিহ জপে।

তাই এসব নাদানের উদ্দেশ্যে রাসুল অভিযোগ করে বলবেন, “হে আমার প্রতিপালক!আমার সম্প্রদায় তো এই কুরআনকে পরিত্যাজ্য মনে করে।’ (২৫:৩০)

আল্লাহ রাসুলকে শান্তনা দিয়ে জানানঃ অচিরেই উহারা এই কোরআন সম্বন্ধে জিজ্ঞিসিত হবে “। (৪৩:৪৪ )

সালাত -অর্থঃ “আল্লাহর নির্দেশনার অনুশীলন। সালাত পড়ার মত বা আদায় করার মত কোন জিনিস বা কার্যক্রম নয়। সালাত নিজের মধ্যে এবং সমাজে কায়েম বা প্রতিষ্ঠত করার এক অনুশীলন যা রবের পক্ষ থেকে বালেগ সব নর নারীর জন্য ফরজ করা হয়েছে। ইহা সৎকাজের মধ্যে উত্তম একটি সৎকাজ বটে। জুম্মা অর্থ — “একত্রিত হওয়া”।

আল্লাহ অতীত, বর্তমান,ভবিষ্যতে মানব কি করবে বা অতীতে কি করেছ তার উপমাও কোরানে বিষদ ভাবে বলেছেন।  অতীত জাতীর মত মুয়াবিয়ার রাষ্ট্রীয় আলেমগণও যে লালসা পরবস হয়ে যে সালাতকে নষ্ট করবে এবং বর্তমান ধর্মজীবিগন ও একই পথের অনুসারী তা সূরা মারিয়মের ৫৯ নং আয়াতে আল্লাহ ব্যক্ত করেছেন।

উহাদের পরে আসিল অপদার্থ পরবর্তীরা, তাহারা সালাত নষ্ট করিল ও লালসা – পরবশ হইল। সুতরাং উহারা অচিরেই কুকর্মের শাস্তি প্রত্যক্ষ করিবে,(১৯:৫৯)

অন্যদিকে আল্লাহর মনোনীত জুম্মার সালাতকে নিজেদের মনগড়া ভাবে পড়ে তৃপ্তির ঢেঁকুর তুলবে যে, এটাও আল্লাহ অতীত, ভবিষ্যত এবং বর্তমানের জন্য প্রকাশ করে দেন সূরা আনফালের ৩৫ নং আয়াতেঃ ” কা‘বাগৃহের নিকট শুধু শিস ও করতালি দেওয়াই তাহাদের সালাত, সুতরাং কুফরীর জন্য তোমরা শাস্তি ভোগ কর। (৮:৩৫)

প্রকৃত জুমআর সালাত কিয়ামত পর্যন্ত কেমন হবে, এ বিষয়ে ইংগীত দিয়ে সূরাতুল মুমিনুনের ১-৩ নং আয়াতে আল্লাহ জানানঃ ” অবশ্যই সফলকাম হয়েছে মু’মিনগণ- যারা নিজেদের সালাতে বিনয়, নম্র-যারা অসার ক্রিয়া-কলাপ হতে বিরত থাকে।”(সূরা মুমিনুন :১-৩)

বর্তমান মোয়াবিয়ার পৃষ্ঠপোষক আলেমদের দ্বারা রচিত প্রচলিত জুম্মা নামাজ আল্লাহর মনোনিত জুম্মা নয়, বরং সূরা মুমিনের ৩ নং আয়াতের বর্ণিত ” অসার ক্রিয়া কলাপ সমৃদ্ধ একটি জুম্মার সালাত।  যাতে কোন কল্যান নেই বলে আলোচিত আয়াতের দৃষ্টিতে আমি মনে করি।

সবটুকু আলোচনা কোরআন পড়ে আমার একান্ত ব্যক্তিগত উপলব্ধি। তাই কাউকে মানার জন্য আহ্বান  করছি না। ভাল লাগলে গ্রহন করবেন, খারাপ লাগলে ডাস্টবিনে ফেলে দিবেন। আর যদি আলোআনার উপর কোন দ্বিমত থাকে রেফারেন্স সহ জানাবেন, আমি শুধরে নেব।

পরিশেষে হাদীস নির্ভরশীলদের জন্য একটি হাদীসের রেফারেন্স দিয়ে যাই। হাদীসটি হলোঃ
রাসুল সা. বলেছেনঃ কোনো ব্যক্তির ইসলামের অন্যতম সৌন্দর্য হলো অর্থহীন কথা বা কাজ ত্যাগ করা।’  (তিরমিজি: ২৩১৮)

কোরআন নিজ মাতৃভাষায় পড়ার দাওয়াত রইল।।স্বয়ং রাসুলের এমন দাওয়াতের আহ্বানে মানুষ যখন মুখ ফিরিয়ে নেয় আল্লাহ তখন রাসুলের উদ্দেশ্যে বলেনঃ ” তুমি কি শোনাইতে পারিবে বধিরকে অথবা যে অন্ধ ও যে ব্যক্তি স্পষ্ট বিভ্রান্তিতে আছে, তাহাকে কি পারিবে সৎপথে পরিচালিত করিতে? ( ৪৩:৪০)

আমি তাই হতাশ হই না কেহ আমার লিখায় মনোনিবেশ না করলে।

Categories
Uncategorized

ভাসান সর্দারের ৭ম পুরুষ

১) ভাসান সর্দার ( ১৭৬২-১৮৪৮) – ৮৬ বছর।

২) রুপা সর্দার (১৭৮৩ – ১৮৫৫) – ৭২ বছর।

৩) কেবরাতুল্লাহ (১৮২৮-১৯০৮) – ৮০ বছর।

৪) হামিদুর রহমান ( ১৮৫৫-১৯৩৮)- ৭৮ বছর।

৫) সাইদুর রহমান (১৮৮৮-১৯৬৩)- ৭৫ বছর।

৬) মজিবুর রহমান (১৯১৮-১৯৯৩)- ৭৩ বছর।

৭) একরামুল হক (১৯৬০-         )  চলমান।

Verified by MonsterInsights