Categories
Innovator My text

সালাত ব্যর্থঃ

সালাত কেন ব্যার্থঃ 

فَلَا صَدَّقَ وَلَا صَلّٰىۙ (ফালা সাদ্দাকা ওয়া লা সাল্লু)

সে সত্য বলে নাই এবং সালাত আদায় করে নাই।

وَلٰكِنْ كَذَّبَ وَتَوَلّ (ওয়া লাকিন কাজ্জাবা ওয়াতাওয়াল্লু)

বরং সে মিথ্য বলিয়াছিল এবং মুখ ফিরাইয়া লইয়াছিল।

فَوَيْلٌ لِّلْمُصَلِّيْنَۙ ( ফাওয়াই লুল্লে মুছাল্লিন)

সুতরাং দুর্ভোগ সেই সালাত আদায়কারীদের,

যাহারা তাহাদের সালাত সম্বন্ধে উদাসীন,১০৭:৫

তবে তারা নয় —

যাহারা তাহাদের সালাতে সদা প্রতিষ্ঠিত
الَّذِيْنَ هُمْ عَلٰى صَلَاتِهِمْ دَآٮِٕمُوْنَۙ (আল্লাযিনা হুম আলা সালাতিহিম দাইয়েমুন)

যাহারা তাহাদের সালাতে সদা প্রতিষ্ঠিত,৭০:২৩

ফয়সালা দিবসে যখন জিজ্ঞাসিত হবে,

উহারা বলিবে, ‘আমরা সালাত আদায়কারীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলাম না,(৭৪ঃ৪৩)

তাই উপদেশ তাদের জন্য,

তোমার পরিবারবর্গকে সালাতের আদেশ দাও ও উহাতে অবিচলিত থাক, আমি তোমার নিকট কোন জীবন উপকরণ চাই না; আমিই তোমাকে জীবনোপকরণ দেই এবং শুভ পরিণাম তো মুত্তাকীদের জন্য।(২০ঃ১৩২)

সালাতকে আল্লাহর মনোনীত পদ্ধতির বাহিরে যাহারা বিভিন্ন মনগড়া অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পালন করতো তাদের লক্ষ্য করে বলেন:

“কাবাগৃহের নিকট শুধু শিস ও করতালি দেওয়াই তাহাদের সালাত, সুতরাং কুফরীর জন্য তোমরা শাস্তি ভোগ কর।”(৮ঃ৩৫)

উহাদের পরে আসিল অপদার্থ পরবর্তীরা, তাহারা সালাত নষ্ট করিল ও লালসা-পরবশ হইল। সুতরাং উহারা অচিরেই কুকর্মের শাস্তি প্রত্যক্ষ করিবে, ( মারিয়ম ১৯,আয়াত ৫৯)

পক্ষান্তরে আল্লাহর সালাত বিষয়ে আল্লাহর নির্দেশনাঃ

হে মু’মিনগণ! নেশাগ্রস্ত অবস্থায় তোমরা সালাতের নিকটবর্তী হইও না, যতক্ষণ না তোমরা যাহা বল তাহা বুঝিতে পার,(৪ঃ ৪৩)

তুমি কি দেখ না যে, আকাশ-মণ্ডলী ও পৃথিবীতে যাহারা আছে তাহারা এবং উড্ডীয় মান বিহঙ্গকুল আল্লাহ্র পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করে? প্রত্যেকেই জানে তাহার ইবাদতের ও পবিত্রতা ঘোষণার পদ্ধতি এবং উহারা যাহা করে সে বিষয়ে আল্লাহ্ সম্যক অবগত। (২৪:৪১)

বিশুদ্ধ চিত্তে তাঁহার অভিমুখী হইয়া তাহাকে ভয় কর, সালাত কায়েম কর এবং অন্তর্ভুক্ত হইও না মুশরিকদের,(৩০:৩১)

Categories
Innovator My text

সালাতঃ

সে বিশ্বাস করে নাই এবং সালাত আদায় করে নাই। (৭৫:৩১)

বরং সে সত্য প্রত্যাখ্যান করিয়াছিল ও মুখ ফিরাইয়া লইয়াছিল। (৭৫:৩২)

সুতরাং দুর্ভোগ সেই সালাত আদায়কারীদের,

فَلَا صَدَّقَ وَلَا صَلّٰىۙ

( ফালা সাদদাকা ওয়া লা সাল্লু)

وَلٰكِنْ كَذَّبَ وَتَوَلّٰىۙ

(ওয়া লাকিন কাজ্জাবা ওয়া তাওয়াল্লা)

فَوَيْلٌ لِّلْمُصَلِّيْنَۙ (ফাওয়াই লুল্লে মুছাল্লিন)

ফালা সাদদাকা = সুতরাং সে সত্য বলে নাই।
ওয়া লা সাল্লু = এবং সালাত আদায় করে নাই।

ওয়া লাকিন কাজ্জাবা = বরং সে মিথ্যে বলেছে।
ওয়া তাওয়াল্লা = এবং মুখ ফিরেয়ে নিয়েছে।

এবার আসা যাক কায়েমী এবং দায়েমী সালাত

কায়েম শব্দটি অভিধানিক বাংলা অর্থ হচ্ছে- প্রতিষ্ঠিত, খাড়া, এবং অবিরত। এবং দায়েম শব্দটি অভিধানিক বাংলা অর্থ হচ্ছে- স্থায়ী, অবিরাম, স্থিতিশীল, সর্বদা। এই দুইটি শব্দের একই অর্থ বহন করে।

এখানে আমাদের আলেম সাহেবগন মাদ্রসার শিশুদের ছোট বেলা থেকে শিক্ষা দিয়ে আসছেন ৫ ওয়াক্ত নামায জামাতের সহিত পড়াই হলো কায়েম করা। নিজে পড়া এবং সবাইকে নিয়ে জামাতে পরার নামই কায়েম i
:আল্লাহ পবিত্র কোরআনের একাধিক বারই বলেছেন যার যার বোঝা তাকেই বহন করতে হবে। তবে জামাতে নামায আদায় করলেই কায়েম হবে কি করে?

সালাতের উদ্দেশ্য এবং বাস্তব জীবনে এর প্রতিফলন সম্বন্ধে আমাদের সমাজে মোটেই ধারণা নেই। আমাদের সালাত হলো উঠ বস করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ। সালাতকে যেদিন আদায়কারীর বাস্তবে রূপ দিতে পারবে সেদিন সালাত ও যাকাত প্রতিষ্ঠিত হবে।

আল্লাহ পবিত্র কোরআনে সূরা মরিয়াম এর ১৯:৩১ নং আয়াতে সালাত কায়েম করতে বলেছেন জন্ম হইতে মৃত্যুর আগ মুহুর্ত পর্যন্ত অবিরতভাবে, নিরর্বিছিন্ন, বিরতিহীন ভাবে।

যাহারা তাহাদের সালাতে সদা প্রতিষ্ঠিত,(৭০:২৩)
الَّذِيْنَ هُمْ عَلٰى صَلَاتِهِمْ دَآٮِٕمُوْنَۙ

অত:পর যার এ বিষয়ে দ্বীমত পোষন করে, তাদের জন্য

তুমি কি দেখিয়াছ তাহাকে, যে দীনকে অস্বীকার করে ? (১০৭:১)
اَرَءَيْتَ الَّذِىْ يُكَذِّبُ بِالدِّيْنِؕ

সুতরাং দুর্ভোগ সেই সালাত আদায়কারীদের,
فَوَيْلٌ لِّلْمُصَلِّيْنَۙ

যাহারা তাহাদের সালাত সম্বন্ধে উদাসীন,
الَّذِيْنَ هُمْ عَنْ صَلَاتِهِمْ سَاهُوْنَۙ

ফয়সালা দিবসে যখন জিজ্ঞাসিত হবে,উহারা বলিবে, ‘আমরা মুসল্লিদের অন্তর্ভুক্ত ছিলাম না,
قَالُوْا لَمْ نَكُ مِنَ الْمُصَلِّيْنَۙ (৭৪:৪৩)

তাই উপদেশ তাদের জন্য, “তোমার পরিবারবর্গকে সালাতের আদেশ দাও ও উহাতে অবিচলিত থাক, আমি তোমার নিকট কোন জীবনোপকরণ চাই না; আমিই তোমাকে জীবনোপকরণ দেই এবং শুভ পরিণাম তো মুত্তাকীদের জন্য। (২০:১৩২)

সালাতকে আল্লাহর মনোনীত পদ্ধতির বাহিরে যাহারা বিভিন্ন মনগড়া অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পালন করতো তাদের লক্ষ্য করে বলেন:

“কাবাগৃহের নিকট শুধু শিস ও করতালি দেওয়াই তাহাদের সালাত, সুতরাং কুফরীর জন্য তোমরা শাস্তি ভোগ কর।” (৮:৩৫)

উহাদের পরে আসিল অপদার্থ পরবর্তীরা, তাহারা সালাত নষ্ট করিল ও লালসা-পরবশ হইল। সুতরাং উহারা অচিরেই কুকর্মের শাস্তি প্রত্যক্ষ করিবে, (১৯:৫৯)

পক্ষান্তরে আল্লাহর সালাত বিষয়ে আল্লাহর নির্দেশনাঃ

হে মু’মিনগণ! নেশাগ্রস্ত অবস্থায় তোমরা সালাতের নিকটবর্তী হইও না, যতক্ষণ না তোমরা যাহা বল তাহা বুঝিতে পার, (৪:৪৩)

তুমি কি দেখ না যে, আকাশ-মণ্ডলী ও পৃথিবীতে যাহারা আছে তাহারা এবং উড্ডীয়মান বিহঙ্গকুল আল্লাহ্র পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করে? প্রত্যেকেই জানে তাহার ইবাদতের ও পবিত্রতা ঘোষণার পদ্ধতি এবং উহারা যাহা করে সে বিষয়ে আল্লাহ্ সম্যক অবগত।(২৪:৪১)

বিশুদ্ধ চিত্তে তাঁহার অভিমুখী হইয়া তাহাকে ভয় কর, সালাত কায়েম কর এবং অন্তর্ভুক্ত হইও না মুশরিকদের,(৩০:৩১)

Categories
Innovator My text

সালাত নষ্ট করিলঃ

উহাদের পরে আসিল অপদার্থ পরবর্তীরা, তাহারা সালাত নষ্ট করিল ও লালসা – পরবশ হইল। ১৯:৫৯

১) প্রথম প্রশ্ন এ আয়াতটি কি অতীতের জন্য শুধু ? না কি অতীত – বর্তমান এবং ভবিষ্যত সকল সময়ের জন্য প্রযোজ্য?

২) সালাত আল্লাহর মনোনীত ভাবেই চলছিল। সে সময় কালটি কখন?

৩) তাদের পরে কাহারা স্থলাভিষিক্ত হয়েছিল? তারা কোন নবীর উম্মত ছিল?

৪) কি ধরনের লালসা বা কুপ্রবৃত্তির অনুসরন করে সালাত কে বিকৃত করলো?

৫) সে বিকৃত বা নষ্ট করা সালাত পরবর্তিতে কোন নবীর সময় ঠিক করা হয়েছিল?

৬) সেই নষ্ট করা সালাত কি এখনো চলমান? না সংস্কার হয়েছে?

فَخَلَفَ مِنْۢ بَعْدِهِمْ خَلْفٌ اَضَاعُوا الصَّلٰوةَ وَاتَّبَعُوا الشَّهَوٰتِ‌
( ফাখালাফা মিম বাআ’দিহিম খালফুন আ’দাউস সালাতা ওততাবাউ – শ – শাহাওয়াতি।)

বাক্যে মুল শব্দ ৭ টি। তা হলঃ
১) খালাফা (خَلَفَ) = স্থলাভিশিক্ত হওয়া,
২) বাআ’দ ( بَعْدِ) = পরে।
৩) দা’ওউ ( ضَعُو) নষ্ট করা।
৪) সাললু (صَّلٰو) নামাজ/সালাত/ রবের অনুশীলন
৫) তাবাউ (بَعُو) = অনুসরন করা (ইত্তেবা থেকে)
৬) শাহাউ ( ال ) (شَّهَوٰ) কুপ্রবৃত্তি

১) ফাখালাফা (فَخَلَفَ) = অতপর স্থলাভিষিক্ত হল।
মুল শব্দ খালাফ (خَلَفَ) = স্থলাভিশিক্ত হওয়া, فَ ফা অব্যয় পদ অর্থ অত:পর। সুতরাং فَخَلَفَ ফাখালাফা অর্থ অত:পর স্থলাভিসিক্ত হল।

২) মিম ( مِنْۢ) অব্যয় পদ = থেকে।

৩) বাআ’দিহিম ( بَعْدِهِمْ) = তাদের পরবর্তি।
মুল শব্দ বাআ’দ ( بَعْدِ) = পরে। হুম (هِمْ) সর্বনাম = তাদের।

৪) খালফুন ( خَلْفٌ) পরবর্তিরা। মুল শব্দ খালফা خَلْفٌ, = বুহুবচন তাহারা।

৫) আ’দাউ ( اَضَاعُوا ) = তারা নষ্ট করলো
মুল শব্দ ( ضَعُو) নষ্ট করা।

৬) সালাতা ( الصَّلٰوةَ) নামাজকে/সালাতকে
মুল শব্দ সাললু (صَّلٰو) নামাজ/সালাত/ রবের অনুশীলন।

৭) ওয়াততাবাউ ( وَاتَّبَعُوا) এবং অনুসরন করলো / পরবশ হলো। মুল শব্দ (بَعُو) তাবাউ = অনুসরন করা (ইত্তেবা থেকে)

৮) শাহাওয়াতি ( الشَّهَوٰتِ‌ ) লালসার / কুপ্রবৃত্তির মুল শব্দ শাহাউ ( ال ) (شَّهَوٰ) কুপ্রবৃত্তি

শব্দার্থ: فَخَلَفَ = অতঃপর স্থলাভিষিক্ত হলো , مِنْ = থেকে, بَعْدِهِمْ = পর তাদের , خَلْفٌ = পরবর্তীরা, أَضَاعُوا = তারা নষ্ট করলো, الصَّلَاةَ = সালাত, وَاتَّبَعُوا = ও অনুসরণ করলো, الشَّهَوَاتِ = কুপ্রবৃত্তির, فَسَوْفَ = সুতরাং শীঘ্রই , يَلْقَوْنَ = তারা দেখবে, غَيًّا = কুকর্মের (শাস্তি) , فَسَوْفَ = সুতরাং শীঘ্রই يَلْقَوْنَ = তারা দেখব غَيًّا = কুকর্মের (শাস্তি)

فَخَلَفَ مِنْۢ بَعْدِهِمْ خَلْفٌ اَضَاعُوا الصَّلٰوةَ وَاتَّبَعُوا الشَّهَوٰتِ‌ فَسَوْفَ يَلْقَوْنَ غَيًّا ۙ

অনুবাদ: তারপর এদের পর এমন নালায়েক লোকেরা এদের স্থলাভিষিক্ত হলো যারা নামায নষ্ট করলো এবং প্রবৃত্তির কামনার দাসত্ব করলো। তাই শীঘ্রই তারা গোমরাহীর পরিণামের মুখোমুখি হবে। (১৯:৫৯)

Categories
Innovator

দ্বীন ও ধর্মের মধ্যে পার্থক্যঃ

দ্বীন ও ধর্মের মধ্যে পার্থক্য কি?

১) ধর্ম মানব সংযোজিত কিছু আচার অনুষ্ঠান পুজা পার্বন।পক্ষান্তরে দ্বীন আল্লাহর নির্ধারিত মানব জাতীর জীবন পরিচালনার গাইড লাইন, যা কোন কিতাবে সংরক্ষিত থাকে।

২) ধর্ম পরিচালত হয় ধর্ম গুরু মোল্লা,মুন্সি, শায়েখ, হুজুর, পুরোহিত, পাদ্রী, ভিক্ষু ইত্যাদি দ্বারা। পক্ষান্তরে দ্বীন পরিচালিত হয় নিজ নিজ বিবেক-বুদ্ধি বিচার জ্ঞান দিয়ে। যার উৎস কিতাব বা ঐশী গ্রন্থ।

৩) ধর্ম জড় পদার্থ ও প্রানীর জন্য, পক্ষান্তরে দ্বীন একমাত্র মানব জাতীর জন্য।

৪) ধর্ম বিভিন্ন আচার অনুষ্ঠান, পুজো পার্বন ইত্যাদীকে প্রাধান্য দেয়। পক্ষান্তরে দ্বীন মানুষের নীতি নৈতিকতা, চরিত্র গঠনের প্রধান্য দেয়, আচার অনুষ্ঠান গৌন।

৫) ধর্মের সংস্কারক মোল্লা, মুন্সী, শায়েখ, পুরোহিত, পীর, পাদ্রী, ভিক্ষুগন। পক্ষান্তরে দ্বীনের সংস্কারক নবী,রাসুল,আবতার গন।

৬) দ্বীন সমগ্র মানব জাতীকে তার দিকে আহ্বান করে পক্ষান্তরে ধর্ম মানুষের মধ্যে বিভিন্ন দল, মত, মাযহাব, শ্রেনীতে বিভক্ত করে।

৭) পৃথীবিতে দ্বীন মাত্র একটি আর তা হল ইসলাম। পক্ষান্তরে ধর্ম প্রায় ৪৩০০ এবং প্রধান ৫ টি। যেমন মুসলিম, বৌদ্ধ, হিন্দু, ইয়াহুদী, খৃষ্টান।

Categories
Innovator

হাদীস একমাত্র কোরআনঃ

সুতরাং কোরআনের পরে আর কোন হাদীসে বিশ্বাস স্থাপন করিবে?
فَبِاَىِّ حَدِيْثٍۢ بَعْدَهٗ يُؤْمِنُوْنَ

১)  فَبِأَيِّ  (ফাবেআইয়ে) =  সুতরাং আর কোন

২)حَدِيْثٍۢ (হাদীসিন)  = হাদীসে

৩) بَعْدَهُ (বাআ’দাহু) = তারপরও (এখানে কোরআন)

৪) يُؤْمِنُونَ (ইউমেনুন) = তারা বিশ্বাস করবে

সরল অনুবাদ: সুতরাং আর কোন  হাদীসে  তারপরও  বিশ্বাস স্থাপন করিবে?( ৭৭:৫০)

বালাগাত অনুযায়ীঃ সুতরাং কোরআনের পরে আর কোন হাদীসে বিশ্বাস স্থাপন করিবে?

বাক্যটির চারটি শব্দের তারকিবঃ

১) فَبِاَىِّ ( ফা – বে – আইয়ে)  فَ অব্যয়= সুতরাং/অতপর
বা بِ  সংযুক্ত অব্যয় = সাথে,হতে,দ্বারা।

আইয়ে اَىِّ = কোন। অতএব فَبِاَىِّ = সুতরাং আর কোন।

২) حَدِيْثٍۢ হাদিসীন – মুল শব্দ হাদীস।  হাদীস মানে বানী বা কথা। এখানে শব্দের শেষ অক্ষর  ثٍۢ এর সাথে দুই যের।তাই حَدِيْثٍۢ = হাদীসের।

৩) بَعْدَهٗ ( বাআ’দা – হু)  بَعْدَ  বাআ’দা = তারপরও, হু هٗ নির্দেশ বাচক জমির বা সর্বনান। যা এখানে কোরআন।

৪) يُؤْمِنُوْنَ ( ইউ – ইমান – উন)  মুল শব্দ   ইমান =বিশ্বাস, উন সমন্ধপদ তারা, ইউ প্রশ্নবোধক অব্যয় মিলে  يُؤْمِنُوْنَ = তারা বিশ্বাস করিবে?

Categories
Uncategorized

প্রাথমিক আরবী গ্রামার-১০

প্রাথমিক আরবী গ্রামার পর্ব-১০

জমির (সর্বনাম)ঃ ইসিম এর পরিবর্তে যে পদ ব্যবহার হয় তাকেই জমির বলে।
জমির তিন প্রকার।

১) মারফু ২) মানছুব ৩) মাজরুর।

১) মারফু (কর্তৃবাচ্য) কর্তার পরিবর্তে যেখানে বসে সেটা মারফু।  পেশ থাকলে হয়। মারফুকে দূই ভাগে ভাগ করা যায়। ক) মুনতাছিল ( যুক্ত থাকলে) খ) মুনফাছিল। (আলাদা বা পৃথক থাকলে)
২) মানছুব (কর্মবাচ্য) কর্মের স্থানে যেটি বসে সেটি মানছুব  জমির। মানছুবকেও দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
ক) মুত্তাছিল ( কর্মের সাথে যুক্ত থাকলে) খ) মুন্তাছিল  ( কর্মের সাথে আলাদা থাকলে)
৩) মাজরুর (সম্বন্ধবাচক সর্বনাম) সম্বন্ধ সূচক সর্বনাম। এটি সর্বদা যুক্ত থাকবে।

সুতরাং জমির পাঁচ প্রকার।  যথাঃ
১) জমিরে  মারফু মুনতাছিল।
২) জমিরে মারফু মুনফাছিল।
৩) জমিরে মানছুব মুনতাছিল।
৪) জমিরে মানছুব মুনফাছিল।
৫) জমিরে মাজরুর মুনতাছিল।

আরবীতে মোট ৭০ টি জমির আছে।  এই ৭০টি জমিরকে পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়েছে। পাচ চৌদদ সততুর।

জমিরে মারফু মুনতাছিল ১৪টি।
মূল শব্দ نصر (নাছার) সাহায্য করা।

১) নাছারা  نصر (নাছারা),=সে সাহায্য করেছিল। পুং
২) نصا — ا (নাছারা)=তারা ২জন সাহায্য করেছিল।পুং
৩)نصروا—وا (নাছারু) তাহারা সকলে সাহায্য করেছিল।পুং

৪) نصرت —- ت নাছারাত- সে স্ত্রী সাহায্য করেছিল।
৫) نصرتا — تا নাছারনা- তারা ২ জন স্ত্রী সাহায্য করেছিল।
৬) نصرن — ن নাছারনা – তারা সকল স্রী সাহাযয করেছিল।

৭) نصرت  — ت নাছারাত – তুমি পুং সাহায্য করেছিলে।
৮) نصزتما   — تما নাছারানমা- তোমরা ২ জন পুং সাহায্য
৯)  نصزتم  —  نم নাছারতুম – তোমরা সকল পুং সাহায্য —
১০) نصرت  — ت নাছারতে তুমি একজন  স্ত্রী  সাহায্য
১১) نصرتما   — تما নাছারতুমা তোমরা স্ত্রী ২ জন সাহায্য
১২) نصزتن  — تن নাছারতুন তোমরা সকল স্ত্রী সাহায্য

১৩) نصرت   —- ت নাছারতু আমি সাহায্য করেছিলাম
১৪) نصرنا   — نا নাছারনা আমরা সাহায্য করেছিলাম।

এবার জানব জমিরে মারফু মুনফাছিল ১৪ টি। যা শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে বসে না। পৃথকভাবে বসে।

১। হুয়া (هو) সে (পুরুষ)
২। হুমা (هما) তারা  (২জন পুরুষ)
৩। (হুম) هم তারা (সকল পুরুষ)

৪। (হিয়া) هي সে (স্ত্রী)
৫।  هما (হমা) তারা স্রী
৬।   هن (হুন্না)  সকল স্ত্রী

৭। (আনতা) انت তুমি একজন পুরুষ
৮।  (আনতামা) انتما তোমরা ২ জন পুরুষ
৯। (আনতুম) انتم তোমরা সকল পুরুষ

১০। আতি — তোমরা স্ত্রী
১১।   انتما (আনতুমা) তোমরা ২জন স্ত্রী
১২।   انتن (আনতান) তোমরা সকল স্ত্রী

১৩।  (আনা)  انا আমি
১৪।  (নাহনু)  نحن আমরা

উদাহরন هو طالب (হুয়া তালিবু) হুয়া মুকতাদা তালিবু খবর।   সে একজন ছাত্র। দুটি মিলে যুমলায়ে ইসেম।
এটি যদি হিয়া তালেবুন হলে হবে সে একজন ছাত্রী।

এবার তারকিব করি نصرت নাছারতু এর।
নাছার نص হল ফেল বা ক্রিয়া = সাহায্য করা।
তু ت হবে ফায়েল বা কর্তা। = আমি করেছিলাম। দুইটা মিলে যুমলায় ফেলিয়া।
তাহলে نصرت নাছারতু  অর্থ হবে = আমি সাহায্য করেছিলাম।
**************

প্রাথমিক আরবী গ্রামার পর্ব-১১

মাফুউল (কর্ম/Object) -معفول–  Plural   المعاقععيل
বাক্যে অবস্থিত কর্মকেই মাফুউল বলে।  অর্থাত কর্তার কাজ যার উপর সংগঠিত হবে তাকে معفول বলে।
Sentsnce = Subject + Verb  + Object + Extention
Verb + Subject + Object ( قع + فاعل  + مفعل )
Fel +fayel+maful

(Akala Jayed Rujja  ) اكل زير  رزا
اكل   +  زيد   +   رزا
فعل   + فاعل  + مفعل
মাফুউলের শেষ অক্ষরে যবর থাকবে আর যদি দুই যবর হয় তখন শেষে একটি অতিরিক্ত আলিফ বসাতে হয়।

মাফুউল কত প্রকার ও কি কি?
মাফউল বা কর্ম ৫ প্রকার।

১) মাফুউল মুতলাক (مفعول مطلق)
২) মাফুউল বিহী  (مقعول به)
৩) মাফউল ফাহি  (مفعول فيه)
৪) মাফউল লিহি  (مقعول له)
৫) মাফউল মা’আ  (مفعول معه)

Categories
Innovator

আকাবির;

এদেশে জরুথিষ্টগন নিজেকে আকাবির দাবী করতে গর্ববোধ করে। কিন্তু কোরানে আকাবির শব্দটা এসেছে সূরা আনআমের ১২৩ আয়াতে। এখানে অপরাধীদের প্রধানকে আকাবির হিসেবে সম্বোধন করা হয়েছে।
আমাদের জরুগন প্রকৃতই অপরাধীদের প্রধান বলেই নিজের অজান্তেই এ লকব বেছে নিয়েছে।  দেখা যাক আয়াতটি।
এইরূপে আমি প্রত্যেক জনপদে সেখানকার অপরাধীদের প্রধানকে( আকাবিরকে)  সেখানে চক্রান্ত করার অবকাশ দিয়াছি ;৬:১২৩
وَكَذٰلِكَ جَعَلْنَا فِىْ كُلِّ قَرْيَةٍ اَكٰبِرَ مُجْرِمِيْهَا لِيَمْكُرُوْا

অনুরুপ চার প্রধান এর রুপান্তর নিয়ে ভাবলে  প্রমান হয় আমাদের দেশের আকাবিরগন কত বড় মাপের আকাবির।

জিব্রাঈল- আজরাঈল- মিকাঈল -ইস্রাফিল  ১৫০০ বছর আগে উদ্ভাবন হয়েছে।

লুত -উযযা- মানত -হাবল  —- ৩০০০ বছর আগে ছিল।

ব্রহ্মা – বিষ্ণু – শিব- মহেশ্বর  — ৫০০০ বছর আগে ছিল।

লুহ – শিহা – শেহেম- হেরন — ১০০০০ বছর আগে ছিল। এরা পারসিয়ান।

এই লুহ-শিহা-শেহেম-হেরনের অনুসারীরা  আজো তাদের আগের মতাদর্শে ফিরিয়ে নিতে নানা কৌশল করে ইসলাম ধর্মে জাল পেতে রেখেছে। তাদের দেবতা আমুন কে যেন ভক্তি ভরে দৈনন্দিন স্মরন করে  সে জন্য ফাতেহা পাঠ শেষে আমিন ( বিশ্বস্থ) বলার কৌশল ঢুকিয়ে দিয়েছে। সালাতকে সিয়ামকে তাদের মাতৃভাষায় রুপান্তর করে  নামাজ, রোজার রুপ দিয়েছে। সূর্যের আরাধনার সাথে মিল রেখে অর্চনা করার  জন্য। সিয়ামকে রোজা বলে উপবাসের মধ্যে সীমিত করে দিয়েছে।

এই আমিন জোরে না আস্তে বলা নিয়ে আবার পন্ডিত গন মহা আন্দোলনে রত। অথচ এতটুকু বোধগম্য হয় না অনুকরনকারীদের যে এই আমিন শব্দটা সূরায় আছে কি না তা যাচাই করে দেখে নি কোন দিন। আর এই আমিন শব্দের অর্থই বা কি?  তাও ভাবার সুযোগ হয় নি আকাবিরদের।।  আমিন কোরানের ভাষায় বিশ্বস্ত।

Categories
Innovator

কাবাগৃহ মানুষের জন্য তৈরীঃ

মানুষের জন্য সর্ব প্রথম যে গৃহ তৈরী হয়েছিল তাহা অবশ্যই বাক্কায়, উহা বরকতময় ও বিশ্বজগতের জন্য পথ-নিদর্শনা । (৩:৯৬)

اِنَّ اَوَّلَ بَیْتٍ وُّضِعَ لِلنَّاسِ لَلَّذِیْ بِبَكَّةَ مُبٰرَكًا وَّ هُدًى لِّلْعٰلَمِیْنَۚ

শব্দার্থ: إِنَّ = নিশ্চয়, أَوَّلَ = প্রথম, بَيْتٍ = ঘর, وُضِعَ = তৈরি করা হয়েছিল, لِلنَّاسِ = মানুষের জন্য, لَلَّذِي = যা অবশ্যই , بِبَكَّةَ = বাক্কায়, مُبَارَكًا = বরকতময়, وَهُدًى = পথ-নির্দেশ/নিশানা, لِلْعَالَمِينَ = বিশ্ব জগতের,

কাবা গৃহ মানুষের জন্য তৈরী প্রথম গৃহ। যা ইব্রাহীম আঃ সংস্কার করেছেন। এখানে সকল বিশ্ববাসীর সম্মেলনের জন্য কল্যান রয়েছে।এখানে সবাই নিরাপদ বলে বিশ্বজগতের অধিবাসীদের লক্ষ্যস্থল। এ কাবায় লুত -উজজ্জা-হাবল ও মানত নামক চারটি প্রধান মুর্তি সহ মোট ৩৬০ টি মুর্তি ছিল। ইব্রাহীম আঃ এই মুর্তি অপসারন করতে গিয়ে দেশান্তর হয়েছেন এবং নমরুদের শাস্তি ভোগ করেছেন। এ থেকে বুঝা যায় মানুষের জন্য তৈরী প্রথম গৃহ কাবা ইব্রাহীম আঃ এরও পুর্বে হয়েছে। কাবা গৃহকে বায়তুল্লাহ বলা সমচীন নয়। কারন বায়তুল্লাহ মানে আল্লাহর ঘর। কিন্তু আল্লাহ নিজে পবিত্র কোরআনের সূরা ইমরানের ৯৬ নং আয়াতে ঘোষণা দিচ্ছেন এটি মানুষের জন্য তৈরী প্রথম ঘর। তাই কাবাগৃহ বায়তুল্লাহ নয় বরং  বাইতুননাস।

কাবা আল্লাহর ঘর হলে নবী মুহাম্মদ কাবা চত্বর রেখে জাবালে নূরের হেরা গুহায় দীর্ঘ ১৪ বছর ধ্যানে মগ্ন হতেন না, কাবা চত্বরেই ধ্যানে বসতেন। প্রথম ওহীও হেরা গুহায় না এসে কাবা চত্বরে আসতো।

Categories
Uncategorized

শব্দের রুপান্তরঃ

রব ( رب ) শব্দ থেকে

রব্বুকা (ربك ) — তোমার রব। পেশ দিয়ে।
রব্বাকা (زبك ) – – তোমার রবকে। যবর দিয়ে
রব্বিকা (ربك ) – – তোমার রবের।যের দিয়ে।

রাব্বুকা ربك এর তারকিব

মুল শব্দ رب রব, ك – তোমার। ربك — তোমার রব।

১। ক্বলা রব্বুকা (قال زبك) = তোমার রব বলেছিল। কালা ফেল এবং মুদাছ আর মুদাস ইলাই মিলে রব্বুকা ফায়েল হয়েছে। যুমলায় ফেলিয়া। এ জন্য পেশ হয়েছে।
২। ক্বলা মুহাম্মাদু রব্বাকা (قال محمد زبك) = মুহাম্মদ তোমার রবকে বলেছিল। মাফউল হওয়ার কারনে যবর হয়েছে।
৩। মারারতু বিরব্বিকা ( مررت بربك ) = আমি তোমার রবের পাশ দিয়ে অতিক্রম করেছিলাম। হরফে যের এর জন্য যের। হয়েছে।

Categories
Innovator

বায়তুল্লাহ

কাবাকে বায়তুল্লাহ বলা হয়। কাবা যদি আল্লাহর ঘর হয় তবে মহানবী কাবা রেখে জাবালে নুরের হেরা গুহায় কেন ১৫ বছর ধ্যান করলেন ? প্রশ্ন জাগে না কি মনে একবারও। 

Verified by MonsterInsights